আন্তর্জাতিক

বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’র শঙ্কা, আঘাত হানতে পারে ৩ নভেম্বর

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেওয়ার আশঙ্কা করছে ভারতের আবহাওয়া অধিদপ্তর (আইএমডি)। সম্ভাব্য এই ঘূর্ণিঝড়ের নাম হবে ‘মুরাসু’। ভারতের প্রস্তাবিত এই নামের অর্থ ‘ঢোল’। আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ঘূর্ণিঝড়টি পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে আগামী ২ নভেম্বর সন্ধ্যায় অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলের কাছাকাছি পৌঁছাতে পারে। পরদিন ৩ নভেম্বর সকালে উপকূলে আঘাত হানার আশঙ্কা রয়েছে।

আইএমডির তথ্য অনুযায়ী, দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন আন্দামান সাগরে সৃষ্ট লঘুচাপটি শনিবার সকালে শক্তি বাড়িয়ে নিম্নচাপে পরিণত হয়। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে। সদ্য বয়ে যাওয়া ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’-এর তুলনায় সম্ভাব্য ‘মুরাসু’র শক্তি কিছুটা কম হতে পারে বলে জানিয়েছেন আইএমডির মহাপরিচালক মৃত্যুঞ্জয় মহাপাত্র।

তাঁর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড়টির প্রভাবে বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ৮০ থেকে ৯০ কিলোমিটার হতে পারে। কোথাও কোথাও দমকা হাওয়ার গতিবেগ ঘণ্টায় ১০০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।

ঘূর্ণিঝড়টির প্রভাবে ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে ভারি থেকে অতি ভারি বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। আগামী ২ নভেম্বর অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূলীয় এলাকা ও পুদুচেরির ইয়ানামে বিচ্ছিন্নভাবে অতি ভারি বৃষ্টি হতে পারে। পরদিন ৩ নভেম্বরও এসব এলাকায় বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে।

এ ছাড়া ২ ও ৩ নভেম্বর অন্ধ্রপ্রদেশের রায়ালসীমা অঞ্চলে ভারি বৃষ্টি হতে পারে। উড়িষ্যার উপকূলীয় এলাকাগুলোতে ৩ ও ৪ নভেম্বর ভারি বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে।

বৃষ্টির পাশাপাশি উপকূলীয় অঞ্চলে ঝোড়ো হাওয়ার সতর্কতাও দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। ১ নভেম্বর সন্ধ্যা থেকে অন্ধ্রপ্রদেশ, উত্তর তামিলনাড়ু ও পুদুচেরি উপকূলে ঝোড়ো হাওয়া শুরু হতে পারে। ২ ও ৩ নভেম্বর এসব এলাকায় বাতাসের তীব্রতা আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

অন্যদিকে, দক্ষিণ উড়িষ্যা উপকূলেও ২ নভেম্বর সন্ধ্যা থেকে ৪ নভেম্বর পর্যন্ত ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আইএমডি।

 

সম্পর্কিত খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button